দক্ষিণ লেবাননের বাসিন্দাদের জন্য নতুন করে হুমকি জারি করেছে ইসরায়েল। নির্দিষ্ট কিছু গ্রামের দক্ষিণে কিংবা সেগুলোর আশপাশে চলাচল না করার জন্য বাসিন্দাদের সতর্ক করেছে। নির্দেশ অমান্য করলে নিরাপত্তা ঝুঁকি রয়েছে বলেও জানিয়েছে। খবর আলজাজিরার।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক পোস্টে একটি মানচিত্র দেখিয়ে বলেন, চিহ্নিত গ্রামের দক্ষিণাংশে যাওয়া বা সেসব এলাকায় ফিরে যাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
এছাড়া লিতানি নদী, ওয়াদি সালহানিয়া এবং সালুকি নদী সংলগ্ন এলাকাতেও প্রবেশ নিষিদ্ধ বলে সতর্ক করা হয়েছে।
সেনাবাহিনী আরও কয়েকটি গ্রামের নাম উল্লেখ করে জানায়, ওইসব এলাকার বাসিন্দারা যেন নির্ধারিত সীমারেখা অতিক্রম না করেন এবং সেখানে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা না করেন।
এই নির্দেশ অমান্য করলে নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।
এদিকে যুদ্ধবিরতি চালু থাকলেও গত কয়েক দিনে আরো অনেক গ্রাম ও শহর ধ্বংস করা হয়েছে। অনেক জায়গা একেবারে মাটির সঙ্গে মিশে গেছে বলে জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা।
দক্ষিণের বড় শহর বিনতে জেবাইলও ব্যাপকভাবে ধ্বংস হয়েছে। প্রায় ৩০ হাজার মানুষের এই শহরে এখন কিছুই আর আগের মতো নেই।
এমন অবস্থায় ‘লেবানন এমন একটি যুদ্ধে জড়িয়েছে, যা তারা নিজেরা শুরু করেনি’—বলেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইউসুফ রাজ্জি।
তিনি বলেন, সরকার এখন চাইছে যুদ্ধ ও শান্তি নিয়ে সব সিদ্ধান্ত আবার নিজেদের হাতে নিতে। পাশাপাশি পুরো দেশে সরকারের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি প্রতিষ্ঠা করাও তাদের লক্ষ্য।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি জানান, অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে তার কথা হয়েছে। সেখানে অস্ট্রেলিয়া লেবানন সরকারের এই অবস্থানকে সমর্থন জানিয়েছে।
অস্ট্রেলিয়া বলেছে, তারা চায় লেবাননের সব জায়গায় সরকারের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকুক এবং প্রয়োজনে তারা মানবিক সাহায্য দিতেও প্রস্তুত।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, চলমান আলোচনা সফল হবে।
এতে দখল করা এলাকা ফেরত পাওয়া যাবে এবং ইসরায়েল দ্রুত সরে যাবে।













Leave a Reply