ইউরোপীয় লিগে দল কিনলেন গেইল

ক্রিকেটার হিসেবে অনেকবারই শিরোনাম হয়েছেন ক্রিস গেইল। ব্যাট-বল তুলে রাখায় সেই সুযোগ আর না থাকলেও এবার অন্য ভূমিকায় শিরোনাম হয়েছেন ‘ইউনিভার্স বস’ খ্যাত সাবেক বাঁহাতি ব্যাটার।

ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে দল কিনেছেন গেইল। ইউরোপিয়ান টি-টোয়েন্টি প্রিমিয়ার লিগের (ইটিপিএল) দল গ্লাসগো মুগাফিয়ান্সের মালিকানা কিনেছেন তিনি। ওয়েস্ট ইন্ডিজ কিংবদন্তির পার্টনার হিসেবে পাশে পাচ্ছেন ভারতের মুগাফি গ্রুপকে। ভারতের বিনোদনভিত্তিক প্রতিষ্ঠানের নামে তাই দলটির নামকরণ করা হয়েছে।

গ্লাসগোর  সহ-স্বত্বাধিকারী  হতে পেরে ভীষণ রোমাঞ্চিত গেইল। ৪৬ বছর বয়সী সাবেক ওপেনার বলেছেন, ‘গ্লাসগো মুগাফিয়ান্সের সহ-স্বত্বাধিকার হওয়া আমার জন্য এক নতুন অধ্যায়। নতুন অধ্যায় শুরু করতে আমার তর সইছে না।’

শুরুতে গ্লাসগোর মালিকানা কেনার কথা ছিল রাহুল দ্রাবিড় ও রবীচন্দ্রন অশ্বিনের নেতৃত্বাধীন এক বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের। তবে বিবিসি জানিয়েছে, তারা এখন ডাবলিন ভিত্তিক দল কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। দ্রাবিড়-অশ্বিনের নেতৃত্বাধীন প্রতিষ্ঠান সরে যাওয়ার সুযোগ নিয়েছেন গেইল। মুগাফি গ্রুপের সঙ্গে গ্লাসগোর মালিকানা কিনেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে সবমিলিয়ে ৪৮৩ ম্যাচ খেলা সাবেক বিধ্বংসী ওপেনার।

আয়ারল্যান্ড, স্কটল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডস ক্রিকেট বোর্ডের যৌথ উদ্যোগে প্রথমবারের মতো হতে যাচ্ছে ইটিপিএল। তিন দেশের ছয় শহরকে কেন্দ্র করে ৬ দলের টুর্নামেন্ট হবে। আগামী ২৬ আগস্ট থেকে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগটি হওয়ার কথা রয়েছে।

সীমানা পার করবেন না- লেবাননবাসীদের নুতন হুমকি ইসরায়েলের

দক্ষিণ লেবাননের বাসিন্দাদের জন্য নতুন করে হুমকি জারি করেছে ইসরায়েল। নির্দিষ্ট কিছু গ্রামের দক্ষিণে কিংবা সেগুলোর আশপাশে চলাচল না করার জন্য বাসিন্দাদের সতর্ক করেছে। নির্দেশ অমান্য করলে নিরাপত্তা ঝুঁকি রয়েছে বলেও জানিয়েছে। খবর আলজাজিরার

ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক পোস্টে একটি মানচিত্র দেখিয়ে বলেন, চিহ্নিত গ্রামের দক্ষিণাংশে যাওয়া বা সেসব এলাকায় ফিরে যাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

এছাড়া লিতানি নদী, ওয়াদি সালহানিয়া এবং সালুকি নদী সংলগ্ন এলাকাতেও প্রবেশ নিষিদ্ধ বলে সতর্ক করা হয়েছে।

সেনাবাহিনী আরও কয়েকটি গ্রামের নাম উল্লেখ করে জানায়, ওইসব এলাকার বাসিন্দারা যেন নির্ধারিত সীমারেখা অতিক্রম না করেন এবং সেখানে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা না করেন।

এই নির্দেশ অমান্য করলে নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।

এদিকে  যুদ্ধবিরতি চালু থাকলেও গত কয়েক দিনে আরো অনেক গ্রাম ও শহর ধ্বংস করা হয়েছে। অনেক জায়গা একেবারে মাটির সঙ্গে মিশে গেছে বলে জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা

দক্ষিণের বড় শহর বিনতে জেবাইলও ব্যাপকভাবে ধ্বংস হয়েছে। প্রায় ৩০ হাজার মানুষের এই শহরে এখন কিছুই আর আগের মতো নেই।

এমন অবস্থায় ‘লেবানন এমন একটি যুদ্ধে জড়িয়েছে, যা তারা নিজেরা শুরু করেনি’—বলেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইউসুফ রাজ্জি।

তিনি বলেন, সরকার এখন চাইছে যুদ্ধ ও শান্তি নিয়ে সব সিদ্ধান্ত আবার নিজেদের হাতে নিতে। পাশাপাশি পুরো দেশে সরকারের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি প্রতিষ্ঠা করাও তাদের লক্ষ্য। 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি জানান, অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে তার কথা হয়েছে। সেখানে অস্ট্রেলিয়া লেবানন সরকারের এই অবস্থানকে সমর্থন জানিয়েছে।

অস্ট্রেলিয়া বলেছে, তারা চায় লেবাননের সব জায়গায় সরকারের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকুক এবং প্রয়োজনে তারা মানবিক সাহায্য দিতেও প্রস্তুত।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, চলমান আলোচনা সফল হবে।

এতে দখল করা এলাকা ফেরত পাওয়া যাবে এবং ইসরায়েল দ্রুত সরে যাবে।

পাকিস্তান এখন আর দক্ষিণ এশিয়ার অন্তর্ভুক্ত নয়

বিশ্বব্যাংক নীরবে দীর্ঘদিনের আঞ্চলিক শ্রেণিবিন্যাস নতুনভাবে নির্ধারণ করেছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২৬ অর্থবছর থেকে পাকিস্তানকে এখন আর দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের অংশ হিসেবে রাখা হবে না। এর বদলে দেশটিকে মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার অর্থনৈতিক অঞ্চলের (এমইএনএ) সঙ্গে যুক্ত করেছে বিশ্বব্যাংক। কিন্তু মানচিত্রের সীমারেখা অপরিবর্তিতই আছে।

বৈশ্বিক উন্নয়ন ভূগোল এমন একটি ক্ষেত্র, যা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন সমাজ ও দেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও মানবীয় উন্নয়নের বৈচিত্র্যময় স্তর নিয়ে আলোচনা করে। এটি বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যে উন্নয়নের অসমতা, জীবনযাত্রার মান এবং টেকসই উন্নয়নের পথ নিয়ে বিশ্লেষণ করে। এখানে উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশের মধ্যকার পার্থক্য ও প্রভাব ফুটে ওঠে।

নতুন এই সিদ্ধান্তটি অনেকটা নীরবে নেওয়া হলেও এটি উন্নয়ন নীতি, গবেষণা এবং আঞ্চলিক তুলনামূলক বিশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এই পরিবর্তন কোনো বড় ঘোষণা বা সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নয়, বরং প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব ডেটাব্যাংক মেটাডেটা অভিধানে (গ্লসারি) প্রকাশিত হয়েছে। পাকিস্তান ও আফগানিস্তানকে এখন মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা অঞ্চলের অংশ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এত দিন পর্যন্ত পাকিস্তান ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান এবং মালদ্বীপের সঙ্গে দক্ষিণ এশিয়ার অন্তর্ভুক্ত ছিল। 

একদিকে এই পরিবর্তন অনেকটাই কারিগরি বিষয়। বিশ্বব্যাংকের মতো বহুপক্ষীয় প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়মিতভাবে তাদের আঞ্চলিক শ্রেণিবিন্যাস হালনাগাদ করে, যাতে ঋণ কার্যক্রম, অর্থনৈতিক মডেল, অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা কাঠামো এবং আঞ্চলিক কৌশল আরো ভালোভাবে সামঞ্জস্য করা যায়।

তবে আঞ্চলিক এই ধরনের পরিচয় বা লেবেল কখনোই শুধু প্রশাসনিক বিষয় নয়। এগুলো নির্ধারণ করে একটি দেশকে কিভাবে দেখা হবে, কার সঙ্গে তুলনা করা হবে এবং বিনিয়োগকারী, কূটনীতিক ও উন্নয়ন পরিকল্পনাকারীরা দেশটিকে কোন মানদণ্ডে ফেলবেন বা কীভাবে বুঝবেন।

পাকিস্তানের জন্য এই পরিবর্তনটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি এমন সময়ে ঘটেছে যখন দেশটি তার বৈদেশিক সম্পর্কের পরিধি বাড়াচ্ছে। দেশটি এখন পশ্চিমাঞ্চলের দিকে, বিশেষ করে উপসাগরীয় অঞ্চলের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক জোরদার করেছে। সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং কাতার এখন পাকিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক ও কূটনৈতিক অংশীদার হিসেবে উঠে এসেছে।

রিয়াদ বারবার আমানত ও ঋণ পরিবর্তন ব্যবস্থার মাধ্যমে পাকিস্তানের আর্থিক স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে সহায়তা করেছে। অন্যদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিনিয়োগ লজিস্টিকস, বিমান চলাচল ও অবকাঠামো খাতে দ্রুত বিস্তৃত হয়েছে। একই সঙ্গে লাখ লাখ পাকিস্তানি শ্রমিক উপসাগরীয় দেশগুলোর শ্রমবাজারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। তাদের পাঠানো রেমিটেন্স দেশের অভ্যন্তরীণ ভোগ বাড়াতে এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ টিকিয়ে রাখতে বড় অবদান রাখছে।

একই সময়ে ইসলামাবাদের রাজনৈতিক ভাষাও বদলে গেছে। পাকিস্তানি কর্মকর্তারা এখন ক্রমে সংযোগ করিডোর, জ্বালানি একীকরণ এবং মধ্য এশিয়া, পারস্য উপসাগর ও আরব সাগরকে যুক্ত করা পশ্চিমমুখী বাণিজ্য পথের ওপর জোর দিচ্ছেন। এই প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানকে আর শুধু দক্ষিণ এশিয়ার একটি প্রান্তিক রাষ্ট্র হিসেবে দেখা হচ্ছে না, বরং বিভিন্ন অঞ্চলকে সংযুক্তকারী একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে দেখা হচ্ছে। 

মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা গোষ্ঠীতে অন্তর্ভুক্ত হওয়া মানে এই নয় যে, ভূগোল বদলে যায় বা দক্ষিণ এশিয়ার বাস্তবতা মুছে যায়। পাকিস্তান এখনো পুরো উপমহাদেশের সঙ্গে গভীর সাংস্কৃতিক, ভাষাগত ও ঐতিহাসিক সম্পর্ক ভাগ করে নেয়। বাণিজ্য পথ, মানুষের অভিবাসনের ধরন এবং পারিবারিক ইতিহাস, এসবকে কোনো ডেটাবেইসের নতুন শ্রেণিবিন্যাস দিয়ে আসলে বদলে ফেলা যায় না।

তবে এই নতুন শ্রেণিবিন্যাস ইঙ্গিত দিচ্ছে, বহিরাগত প্রতিষ্ঠানগুলো এখন পাকিস্তানকে আরো বিস্তৃত দৃষ্টিকোণ থেকে দেখছে। দেশটির অর্থনৈতিক নির্ভরশীলতা, শ্রমবাজারে মানুষের প্রবাহ, নিরাপত্তাগত গুরুত্ব এবং কূটনৈতিক নেটওয়ার্ক, সবই এখন আগের মতো শুধু পূর্বমুখী নয়, বরং পশ্চিম দিকেও বিস্তৃত হয়েছে।

সময়টিও উল্লেখযোগ্য। পাকিস্তান উপসাগরীয় অঞ্চল এবং বৃহত্তর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে চলমান অস্থিরতার মধ্যে নিজেকে একটি বিস্তৃত আঞ্চলিক ভূমিকায় প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করছে। দেশটি নিজেকে এমন একটি সেতুবন্ধ রাষ্ট্র হিসেবে উপস্থাপন করছে, যারা বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে সংলাপ চালাতে সক্ষম। এই অবস্থানটি একই সঙ্গে উপসাগরীয় রাজধানীগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক আরো শক্তিশালী হওয়া।

আঞ্চলিক সীমানা পরিবর্তিত হলে কী ঘটে?

এই পরিবর্তনটি দেখতে শুধু একটি প্রযুক্তিগত বা প্রশাসনিক হালনাগাদ মনে হলেও, বাস্তবে এটি দেশটির অর্থনীতি, নীতি এবং আঞ্চলিক সম্পর্ক বিশ্লেষণের ধরনকে বদলে দেবে। এখন থেকে বিষয়গুলো আগের মতো দক্ষিণ এশিয়াকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গির বদলে নতুন একটি কাঠামোর মাধ্যমে বোঝা হবে।

আঞ্চলিক শ্রেণিবিন্যাস শুধু মানচিত্রে দেশগুলোকে ভাগ করার বিষয় নয়। এটি উন্নয়ন কর্মসূচি কিভাবে সাজানো হবে, গবেষণার দিক কোন পথে যাবে এবং অগ্রগতি কিভাবে মূল্যায়ন করা হবে, সবকিছুর ওপর প্রভাব ফেলে।

যখন কোনো দেশ এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে স্থানান্তরিত হয়, তখন সেই অঞ্চলের সামগ্রিক পরিসংখ্যানও পরিবর্তিত হয়। এতে গবেষক ও নীতিনির্ধারকদের জন্য আঞ্চলিক তথ্য বিশ্লেষণ ও ব্যাখ্যার ধরনও বদলে যায়।

বিশ্বব্যাংকের ১৮৯টি সদস্য দেশকে কার্যক্রম ও বিশ্লেষণগত অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে বিভিন্ন অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে। আঞ্চলিক সীমানা গুরুত্বপূর্ণ চারটি কারণে।

প্রথমত, এটি একই ধরনের অর্থনীতিগুলোকে একত্র করে তুলনামূলক বিশ্লেষণ সহজ করে। দ্বিতীয়ত, বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচি ও আঞ্চলিক উদ্যোগের মধ্যে সমন্বয় বাড়ায়। তৃতীয়ত, উন্নয়নের অগ্রগতি পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত সামগ্রিক সূচকের পরিসংখ্যান কাঠামো নির্ধারণ করে। চতুর্থত, সময়ের সঙ্গে আঞ্চলিক উন্নয়নের বড় প্রবণতা কীভাবে ব্যাখ্যা করা হবে, তার দিকনির্দেশনা দেয়।

ঋণখেলাপিদের সঙ্গে সমঝোতার কোনো সুযোগ নেই : অর্থমন্ত্রী

ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে যারা পালিয়েছেন, তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং সেই টাকা উদ্ধারে সরকার পেশাদার রিকভারি ফার্ম নিয়োগ করেছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। 

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ঋণখেলাপিদের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতা করার সুযোগ নেই।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

অধিবেশনে হাসনাত আব্দুল্লাহ তার প্রশ্নে বলেন, এস আলম গ্রুপ একাই ৮০ হাজার কোটি টাকা এবং জনতা ব্যাংক থেকে বেক্সিমকো গ্রুপ ২৫ হাজার কোটি টাকা ঋণখেলাপি। এই ঋণ পুনরুদ্ধারে এই অর্থবছরে বিশেষ কোনো পরিকল্পনা আছে কি না? এছাড়া এস আলম গ্রুপকে ঋণ পরিশোধ না করিয়ে পুনর্গঠনের চেষ্টা চলছে কি না বা তাদের সঙ্গে কোনো সমঝোতা হয়েছে কি না?

অর্থমন্ত্রী বলেন, বিএনপির রাজনীতি ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমে কারও সঙ্গে কোনো সমঝোতা করার সুযোগ নেই।

বিগত দিনে বিএনপি যতবারই সরকারে এসেছে, ফিন্যান্সিয়াল ডিসিপ্লিন (আর্থিক শৃঙ্খলা) নিয়ে কোনো প্রশ্ন আসেনি। ম্যাক্রো স্ট্র্যাটেজি বা শেয়ারবাজার লুটপাট নিয়ে কোনো প্রশ্ন ওঠেনি। তাই আশ্বস্ত করছি, বিএনপির অর্থনৈতিক পরিকল্পনায় কোনো সমঝোতার সুযোগ নেই।

ঋণখেলাপিদের বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, যারাই ব্যাংক থেকে টাকা নিয়েছে বা বিদেশে পালিয়ে গিয়েছে, সবার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং তা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ (পারসু) করা হচ্ছে। এই টাকা রিকভারির জন্য আমরা দেশের বাইরে পেশাদার ফার্ম নিয়োগ করেছি।

তিনি আরও জানান, টাকা উদ্ধারে একদিকে যেমন জিটুজি (সরকার থেকে সরকার) আলোচনা চলছে, অন্যদিকে বেসরকারি রিকভারি ফার্মগুলোও কাজ করছে। ইনশাআল্লাহ আগামী দিনে আমরা এই টাকা রিকভার করতে পারব।

দিনাজপুর বোর্ডে অনুপস্থিত সহস্রাধিক পরীক্ষার্থী, একজন বহিষ্কার

দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে অনুপস্থিত ছিল ১ হাজার ৭৮ জন পরীক্ষার্থী। বহিষ্কার করা হয়েছে একজন পরীক্ষার্থীকে।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মো. বোরহান উদ্দিন।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বোর্ডের অধীনে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার প্রথম দিনে বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এই পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি অনুপস্থিত হার পঞ্চগড় জেলায় ০.৯৬ শতাংশ। আর সংখ্যায় সবচেয়ে বেশি অনুপস্থিত দিনাজপুর জেলায় ২৫৮ জন।

এদিন দিনাজপুরে ২৫৮ জন, রংপুরে ১৮৯ জন, গাইবান্ধায় ১৬৩ জন, কুড়িগ্রামে ১২৮ জন, ঠাকুরগাঁওয়ে ১৩৩ জন, নীলফামারীতে ১৩০ জন, লালমনিরহাটে ৮১ জন এবং পঞ্চগড়ে ৯৬ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। এ নিয়ে মোট অনুপস্থিতর সংখ্যা ১ হাজার ৭৮ জন, যা মোট পরীক্ষার্থীর ০.৮৩ শতাংশ।

উল্লেখ্য, এবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আটটি জেলায় ২৮৩টি কেন্দ্রে বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষায় ১ লাখ ৪০ হাজার ৪২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছে।

বুধ ও বৃহস্পতিবার ভার্চুয়ালি চলবে সুপ্রিম কোর্ট

সপ্তাহের প্রতি বুধবার ও বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগে ভার্চুয়াল উপস্থিতিতে আদালত পরিচালিত হবে।

প্রধান বিচারপতির আদেশক্রমে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমান বৈশ্বিক জ্বালানি পরিস্থিতি বিবেচনায় আদালত কর্তৃক তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার আইন-২০২০ এবং সুপ্রিম কোর্টের জারি করা প্র্যাকটিস নির্দেশনা অনুসরণ করে প্রতি বুধবার ও বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগে তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে ভার্চুয়াল উপস্থিতিতে আদালত পরিচালিত হবে।

সপ্তাহের অন্যান্য কার্যদিবসে সশরীরে উপস্থিতির মাধ্যমে আদালত পরিচালিত হবে।

এতে আরও বলা হয়, সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগে (চেম্বার জজ আদালতসহ) ভার্চুয়াল উপস্থিতিতে শুনানিযোগ্য মামলার দৈনন্দিন কার্যতালিকা এবং ভার্চুয়াল (মিটিং) আইডি সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ থেকেও এ তথ্য জানা যাবে।

নির্দেশনাটি আগামী ২২ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনা, শেষ মুহূর্তে অনিশ্চয়তা

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনা পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত হতে পারে, এমন আভাস মিললেও শেষ মুহূর্তে অনিশ্চয়তা কাটেনি। যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার মুখে থাকায় পরিস্থিতি আরো জটিল হয়ে উঠেছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র আশাবাদ ব্যক্ত করেছে যে আলোচনা এগোবে। অন্যদিকে ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তেহরান আলোচনায় অংশ নেওয়ার বিষয়টি ‘ইতিবাচকভাবে বিবেচনা’ করছে, তবে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তানের ইসলামাবাদে বুধবার নতুন করে আলোচনা শুরু হতে পারে। সংশ্লিষ্ট এক পাকিস্তানি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, ‘আলোচনা এগোচ্ছে এবং আগামীকালই শুরু হওয়ার পথে।’ এমনকি কোনো চুক্তি হলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সরাসরি বা ভার্চুয়ালি যোগ দিতে পারেন বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

এদিকে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স আলোচনায় অংশ নিতে পাকিস্তানে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে মার্কিন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। একই সঙ্গে ইরানও আলোচনায় প্রতিনিধিদল পাঠাতে পারে বলে আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারীরা জানিয়েছে।

সম্ভাব্য আলোচনা নিয়ে আশাবাদের কারণে আন্তর্জাতিক তেলের দাম কমেছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১ ডলারের বেশি কমে ৯৪ ডলারের ঘরে নেমেছে। একইভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দামও কমেছে প্রায় ২ শতাংশ।

তবে উত্তেজনা কমেনি। ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক পদক্ষেপ, বিশেষ করে একটি ইরানি জাহাজ আটক ও বন্দর অবরোধকে যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন হিসেবে দেখছে।

ইরানের ‘তুস্কা’ নামের একটি বাণিজ্যিক জাহাজ জব্দের ঘটনায় তেহরান তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, জাহাজটিতে সামরিক কাজে ব্যবহারের উপযোগী পণ্য থাকতে পারে এবং সতর্কবার্তা অমান্য করায় এটি আটক করা হয়েছে।

ইরান এ ঘটনাকে ‘অবৈধ’ উল্লেখ করে জাহাজ ও নাবিকদের অবিলম্বে মুক্তির দাবি জানিয়েছে। একই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়েছে, প্রয়োজনে জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

বর্তমানে দেশের বিদেশি ঋণের পরিমাণ জানালেন অর্থমন্ত্রী

বর্তমানে দেশের বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ৭৮০৬৭ দশমিক ২০ মিলিয়ন ডলার। এ তথ্য জানিয়েছেন খোদ অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেলে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৮তম দিনে প্রশ্নোত্তর পর্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশে বিদেশি ঋণের পরিমাণ কত? ঋণ পরিশোধে এই পর্যন্ত কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে এই পর্যন্ত কোনো ঋণ পরিশোধ করেছে কি না?’

জনাবে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশ সরকারের বৈদেশিক ঋণের স্থিতি ৭৮ হাজার ৬৭ লাখ ২০ হাজার (৭৮০৬৭.২০) মিলিয়ন মার্কিন ডলার সমপরিমাণ।’

অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, ‘অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ সরকারের পক্ষে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করে থাকে। প্রতি অর্থবছর বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের জন্য ঋণের আসল ও সুদ বাবদ সম্ভাব্য মোট ব্যয় কত হতে পারে তার একটি প্রক্ষেপণ তৈরি করা হয় এবং সে পরিমাণ অর্থঋণ পরিশোধ বাবদ বাজেটে সংস্থান রাখা হয়। বাজেট বরাদ্দ ব্যবহার করেই সারা বছর পরিশোধ সূচি অনুসরণ করে ঋণ পরিশোধ করা হচ্ছে। বর্তমান সরকার ক্ষমতা নেওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত মোট ৯০ দশমিক ৬৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ ঋণ পরিশোধ করেছে।’

ইতালির সঙ্গে সম্পর্ককে বিশেষ গুরুত্ব দেয় বাংলাদেশ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার ইতালি। দেশটির সঙ্গে নিরাপদ অভিবাসনসহ সহযোগিতার বিস্তৃত ক্ষেত্র রয়েছে।’

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এসব কথা বলেন। 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ইতালিতে বসবাসরত বাংলাদেশিরা রেমিট্যান্স প্রেরণের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সে জন্য বাংলাদেশ ইতালির সঙ্গে সম্পর্ককে বিশেষ গুরুত্ব দেয়। বাংলাদেশ এ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে বজায় রাখাসহ অদূর ভবিষ্যতে দেশটির সঙ্গে সম্পর্ককে আরো জোরদার করতে চায়।’

বৈঠকের শুরুতে মন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানান এবং রাষ্ট্রদূত নতুন পোর্টফলিওতে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মন্ত্রীকে অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন।

বৈঠকে রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘ইতালি দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে চলমান রাখাসহ এটিকে বিস্তৃত করতে আগ্রহী। ইতালির বর্তমান সরকার নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতকরণ ও অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধে বদ্ধপরিকর। অভিবাসন ইস্যুটি দেশটির অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘ইতালিতে আগামী জুন মাস থেকে নতুন অভিবাসন নীতি কার্যকর হবে। এটি চালু হলে নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতসহ অবৈধ অভিবাসীদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া দ্রুত ও সহজতর হবে।’

রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ইতালির মধ্যে নিরাপদ অভিবাসন, দ্বিপক্ষীয় শ্রমবাজার এবং দক্ষ কর্মী পাঠানোর বিষয়ে গঠিত জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের সভা গত বছরের জুলাইয়ে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের পরবর্তী সভা ইতালিতে অনুষ্ঠিত হবে।’ 

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত ইতালির ইন্টেরিয়র মিনিস্টারের অভিনন্দনপত্র মন্ত্রীর হাতে তুলে দেন এবং মন্ত্রীকে ইতালি সফরের আমন্ত্রণ জানান। মন্ত্রী এ বছরের সুবিধাজনক সময়ে ইতালি সফর করবেন বলে রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করেন।

সাক্ষাৎকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খান, রাজনৈতিক-১ শাখার উপসচিব বেগম মিনারা নাজমীন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পশ্চিম ইউরোপ ও ইইউ বিষয়ক পরিচালক অনির্বাণ নিয়োগী এবং ইতালি দূতাবাসের হেড অভ কনসুলার চ্যান্সেরি লরা শেলা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

চলতি সপ্তাহে এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন

চলতি সপ্তাহে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমি স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে কথা বলে এইচএসসি পরীক্ষা পিছিয়েছি। তারা আর কোনো আপত্তি দেয়নি। রুটিন চলতি সপ্তাহেই প্রকাশ করা হবে।’

আজ এসএসসির প্রথম দিনের পরীক্ষা শেষে সংবাদ সম্মেলন করেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি জানান, ২০২৬ সালের এসএসসি, দাখিল ও সমমানের প্রথমদিনের পরীক্ষায় কোথাও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। কোথাও প্রশ্নফাঁস হয়নি। পরবর্তী পরীক্ষাগুলোও পর্যবেক্ষণ করা হবে।

সারা দেশে এবার মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল ১০টা থেকে দেশের ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে একযোগে এ পরীক্ষার শুরু হয়।

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com