






জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসন বণ্টন করছে রাজনৈতিক দলগুলো। সোমবার ৩৬টি আসনে মনোনীত প্রার্থীদের নাম প্রকাশ করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল [বিএনপি]। মনোনয়ন ইস্যুতে আলোচনায় থাকলেও সংস্কৃতি অঙ্গনের কোনো নারীকে পাওয়া যায়নি চূড়ান্ত তালিকায়। বিষয়টি নিয়ে বিএনপিকে সাধুবাদ জানালেন সংগীতশিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যানিস। গতকাল ফেসবুকে দেওয়া এক বার্তায় তিনি লেখেন, ‘গায়িকা, নায়িকা, অভিনেত্রী, মডেল—এ তারকাদের শো-পিস না বানিয়ে ত্যাগী, যোগ্য, রাজনৈতিক জ্ঞানসম্পন্ন নারীদের মূল্যায়ন করার জন্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে জানাই লাল সালাম।’

দুরারোগ্য ব্যাধি ক্যান্সারের সঙ্গে লড়ছেন ছোট পর্দা ও চলচ্চিত্রের পরিচিত মুখ অভিনেতা তারিকুজ্জামান তপন। বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থা গুরুতর। রাজধানীর আফতাবনগরের বাসায় শয্যাশায়ী অবস্থায় চিকিৎসা নিচ্ছেন তিনি।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, খাদ্যনালির ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছেন তপন। গত ডিসেম্বর মাসে তাঁর শরীরে রোগটি ধরা পড়ে।
পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা জানান, ক্যান্সারটি ইতিমধ্যে চতুর্থ পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। এখন পর্যন্ত তাঁকে তিন দফা কেমোথেরাপি দেওয়া হয়েছে।
অভিনেতার স্ত্রী সাবিনা হেলেন জানান, স্বামীর শারীরিক অবস্থার দিনদিন অবনতি হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘কিছুই খেতে পারেন না। সারাক্ষণ বমি হয়। সারা দিন শুয়ে থাকেন, শরীরে প্রচণ্ড ব্যথা।’
চিকিৎসার ব্যয়ভার সামলাতে গিয়ে আর্থিক সংকটে পড়েছে পরিবারটি। সাবিনা হেলেন জানান, ব্যয়বহুল চিকিৎসার খরচ বহন করতে গিয়ে তারা হিমশিম খাচ্ছেন। সম্প্রতি বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (পিজি) ভর্তি করানোর চেষ্টা করা হলেও শয্যা না থাকায় তা সম্ভব হয়নি।
তিনি বলেন, ‘বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করাতে অনেক টাকা লাগে। তাই পিজিতে ভর্তির চেষ্টা করেছি, কিন্তু সিট খালি না থাকায় ভর্তি করাতে পারিনি।’
বর্তমানে সরকার ও শিল্পীসমাজের সহযোগিতার আশায় দিন গুনছে পরিবারটি। সাবিনা হেলেন বলেন, ‘চিকিৎসা করানোর সামর্থ্য আমাদের নেই। আমরা সরকারের সহযোগিতা চাই। আপনাদের মাধ্যমে সবার কাছে সাহায্যের আবেদন করছি।’
একসময় ছোট পর্দা ও চলচ্চিত্রে নিয়মিত অভিনয় করেছেন তারিকুজ্জামান তপন। বিশেষ করে কমেডি চরিত্রে তাঁর স্বতঃস্ফূর্ত অভিনয় দর্শকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে। টেলিভিশন নাটক ও চলচ্চিত্র—দুই মাধ্যমেই সমানভাবে কাজ করেছেন তিনি।
তাঁর অভিনীত চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে ‘আলতা বানু’, ‘ঠিকানা’ ও ‘যা ছিল অন্ধকারে’। আর টেলিভিশন নাটকের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘জোড়া শালিক’, ‘হাতছানি’, ‘অল্পে গল্পে’ ও ‘মৃত্তিকার যাত্রা’।

চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিনবার বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জনে ব্যর্থ—এই বাস্তবতা এখনো অনেক ফুটবলপ্রেমীর মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে।
ইতালিয়ান ক্লাবগুলোও খুব একটা ভালো অবস্থায় নেই। এবার তো উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালেও উঠতে পারেনি ইতালির কোনো ক্লাব। দ্বিতীয় স্তরের ইউরোপা লিগ, এমনকি তৃতীয় স্তরের কনফারেন্স লিগের সেমিফাইনালেও দেশটির কোনো ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব নেই।
ইতালিয়ান ফুটবলের পতনের পেছনে কয়েকটি কারণ সামনে এসেছে। এর মধ্যে একটি চমকে দেওয়ার মতোই—ফুটবলারদের পতিতাবৃত্তিতে জড়িয়ে পড়া! সহজ করে বললে, পতিতাদের খদ্দের হওয়ার পাশাপাশি তাদের নানা ধরনের সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করে দেওয়া।
ইতালির ক্রীড়া দৈনিক লা গাজেত্তা দেল্লো স্পোর্ট চাঞ্চল্যকর এই তথ্য সামনে এনেছে। সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিলান শহরে ৭০ জনের বেশি ফুটবলার এই কেলেঙ্কারিতে জড়িয়েছেন।
এসি মিলান, ইন্টার মিলান, জুভেন্টাস, হেল্লাস ভেরোনা, তোরিনো, মোনৎসা এবং সাসসুয়োলোর ফুটবলাররা মা দে মিলানো নামে একটি প্রস্টিটিউশন নেটওয়ার্কে আয়োজিত পার্টিতে অংশ নিয়েছিলেন। এমনকি সেখানে রেসিং প্রতিযোগিতা ফর্মুলা ওয়ানের চালকও ছিলেন।
পতিতাবৃত্তি ও অবাধ যৌন মেলামেশায় সহযোগিতার অভিযোগে সংস্থাটি এখন তদন্তের আওতায় আছে। পুলিশ এরই মধ্যে অভিযান চালিয়ে ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
মা দে মিলানো নামের চক্রটি একটি ইভেন্ট প্রমোশন কোম্পানির আড়ালে চলত। তারা ধনী ও তারকা খদ্দেরদের জন্য বিশেষ প্যাকেজ অফার করত। এই প্যাকেজে থাকত মিলানের নামিদামি রেস্টুরেন্টে ডিনার, বিলাসবহুল হোটেলে সুন্দরী মেয়েদের সঙ্গে রাত কাটানো ইত্যাদি। অনেক ক্ষেত্রে লাফিং গ্যাসও (নাইট্রাস অক্সাইড) সরবরাহ করা হতো, যা ক্রীড়াবিদরা ব্যবহার করলেও ডোপ পরীক্ষায় ধরা পড়ে না।
এক ফুটবলারের সঙ্গে রাত কাটানোর পর এক যৌনকর্মী অন্তঃসত্ত্বাও হয়ে পড়েন। একটি ইন্টারসেপ্টেড কল (গোয়েন্দা নজরদারিতে থাকা) থেকে ফর্মুলা ওয়ান চালকের জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে। সেই কলে একজনকে বলতে শোনা যায়, ‘আমার এক বন্ধু এফ১-এর চালক। সে আজ রাতে মিলানে আসছে, একটা মেয়ে চায়।’
তদন্তে জানা গেছে, প্রায় ১০০ জন তরুণী এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। দালাল চক্র খদ্দের প্রতি ৫০% কমিশন পেত। ফুটবলাররা ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমে ওই চক্রকে ১ লাখ ৯৪ হাজার ইউরোর (প্রায় ২ কোটি ৮০ লাখ টাকা) বেশি পরিশোধ করেছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, এই কার্যক্রম থেকে প্রায় ১২ লাখ ইউরো (১৭ কোটি ৩১ লাখ টাকা) আয় হয়েছে।
এমন কেলেঙ্কারির পরও কোনো খেলোয়াড়কে তদন্তের আওতায় আনা হয়নি। কারণ, ইতালির আইনে যৌনকর্মীর খদ্দের হওয়া অপরাধ নয়।
তদন্তের স্বার্থে কারো নামও প্রকাশ করা হয়নি। তবে এমন ঘটনা ইতালির ফুটবল ও রেসিং অঙ্গনে বড়সড় ধাক্কা দিয়েছে।
ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে না পেরে ইতালির ফুটবল যখন ধুঁকছে, তখন এমন ঘটনা আরো কষ্টদায়ক।
ইতালির ফুটবল এই কলঙ্ক মুছে ঘুরে দাঁড়াতে পারে কি না, তা সময়ই বলে দেবে।

রাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন যুব মহিলা লীগ নেত্রী শিল্পী বেগম। দুপুর ১২টার দিকে তারা কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগার থেকে মুক্তি পান। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কারাগারের জেলার শিরিন আক্তার।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে মানবিক বিবেচনায় ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন। বিচারক মোস্তাফিজুর রহমান এ আদেশ দেন।
জামিন মঞ্জুর হলেও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রে বিচারকের সই বাকি থাকায় তাৎক্ষণিক মুক্তি সম্ভব হয়নি। ফলে মা ও শিশুকে এক রাত কারাগারেই কাটাতে হয়। পরে বুধবার সকালে জামিন সংক্রান্ত নথিতে সই সম্পন্ন হলে দ্রুত তা কারাগারে পাঠানো হয় এবং আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়।

সরকার জাতীয় বেতন কমিশন, জুডিশিয়াল সার্ভিস পে কমিশন এবং সশস্ত্র বাহিনী বেতন কমিশন সংক্রান্ত সুপারিশ প্রণয়ন কমিটি পুনর্গঠন করেছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে আহবায়ক করে ১০ সদস্যের এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সরকার ‘জাতীয় বেতন কমিশন, ২০২৫’, ‘বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস পে-কমিশন, ২০২৫’ এবং সশস্ত্র বাহিনী বেতন কমিটি, ২০২৫’-এর প্রতিবেদন সংক্রান্ত সুপারিশ প্রণয়ন কমিটি পুনর্গঠন করেছে।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়; সিনিয়র সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়; প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ; সচিব, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়; সচিব, অর্থ বিভাগ; সচিব, আইন ও বিচার বিভাগ; সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ; সচিব, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ; হিসাব মহানিয়ন্ত্রক (সিজিএ), হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের কার্যালয়, সেগুনবাগিচা, ঢাকা।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কমিটি জাতীয় বেতন কমিশন, ২০২৫; বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস পে-কমিশন, ২০২৫ এবং সশস্ত্র বাহিনী বেতন কমিটি, ২০২৫-এর দাখিলকৃত প্রতিবেদনসমূহের বেতন সম্পর্কিত বিষয়াদি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে পরবর্তী কার্যক্রম সংক্রান্ত সুপারিশ প্রণয়ন করবে।
এ ছাড়া এতে আরো বলা হয়, কমিটি যথাসময়ে সরকারের নিকট প্রতিবেদন দাখিল করবে। অর্থ বিভাগ কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবে। কমিটির সভা প্রয়োজনানুসারে অনুষ্ঠিত হবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের গত ৮ ফেব্রুয়ারির ০৪.০০.০০০০,০০০,৬১১,০৬, ০০০২.২৫.২৮ স্মারকের অনুবৃত্তিক্রমে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সংগঠনটির আহ্বায়ক আবদুল মালেক গণমাধ্যমকে এক বার্তায় জানান, আগামী মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে জাতীয় প্রেস ক্লাবে এ উপলক্ষে বৃহৎ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।

চিকিৎসকদের নিরাপত্তার জন্য প্রতি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও অন্যান্য বড় হাসপাতালে অস্ত্রসহ ১০ জন করে আনসার সদস্য মোতায়েন করার ঘোষণা দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন। সম্প্রতি কয়েকটি হাসপাতালে চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনায় এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর শাহবাগে বাংলাদেশ-চীন জয়েন্ট সার্জিক্যাল ক্লিনিক চালুর লক্ষ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
হামের টিকা প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে আগামী ছয় মাসের টিকা মজুত আছে। পরবর্তী ৬ মাস এটি দিতে কোনো সমস্যা হবে না। কোনো ধরনের টিকার সংকট নেই। লোকবল সংকট নিরসনে শিগগিরই ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে।’

মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলায় এসএসসি-২০২৬ পরীক্ষার কেন্দ্রসমূহ হঠাৎ পরিদর্শন করেছেন মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী জনাব এহসানুল হক মিলন। কোনো ধরনের পূর্বঘোষণা বা আনুষ্ঠানিক প্রটোকল ছাড়াই তিনি গোপনে কয়েকটি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে তিনি সিংগাইরের সাহরাইল, সিংগাইর সরকারি বালক বিদ্যালয় এবং জয়মন্টপ উচ্চ বিদ্যালয়সহ একাধিক কেন্দ্র ঘুরে দেখেন। হঠাৎ এই পরিদর্শনের মাধ্যমে তিনি সরাসরি পরীক্ষার পরিবেশ, শৃঙ্খলা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা পর্যবেক্ষণ করেন।
পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোর পরিবেশ, নকলমুক্ত পরিস্থিতি এবং প্রশাসনিক তৎপরতায় সন্তোষ প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানিয়ে ভবিষ্যতেও এ ধরনের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানান।
এসময় সিংগাইর উপজেলার ইউএনও, সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং শিক্ষক প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন এবং তারা শিক্ষামন্ত্রীকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন।
উপজেলা প্রশাসন সিংগাইর, মানিকগঞ্জের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শিক্ষার মানোন্নয়ন ও পরীক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে তাদের এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলা ও পৌর ছাত্রদলের উদ্যোগে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের সহযোগিতায় এক মানবিক ও প্রশংসনীয় কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এই উদ্যোগে পরীক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন ধরনের সহায়তা প্রদান করা হয়, যা স্থানীয়ভাবে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ জানান, পরীক্ষার সময় শিক্ষার্থীরা যেন কোনো ধরনের সমস্যায় না পড়ে, সেই লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের মাঝে প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ, দিকনির্দেশনা প্রদান এবং মানসিকভাবে উৎসাহিত করার মাধ্যমে তাদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করা হয়।
স্থানীয় অভিভাবক ও সাধারণ মানুষ এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা বলেন, এমন কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সহায়ক এবং সমাজে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দেয়। বিশেষ করে পরীক্ষার সময় এই ধরনের সহায়তা শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। তারা বলেন, শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নে শিক্ষার্থীদের পাশে থাকা তাদের অন্যতম লক্ষ্য।
সার্বিকভাবে, সিংগাইর উপজেলা ও পৌর ছাত্রদলের এই উদ্যোগ একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। সমাজের বিভিন্ন সংগঠনও এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করলে শিক্ষার্থীরা আরও উপকৃত হবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

ক্রিকেটার হিসেবে অনেকবারই শিরোনাম হয়েছেন ক্রিস গেইল। ব্যাট-বল তুলে রাখায় সেই সুযোগ আর না থাকলেও এবার অন্য ভূমিকায় শিরোনাম হয়েছেন ‘ইউনিভার্স বস’ খ্যাত সাবেক বাঁহাতি ব্যাটার।
ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে দল কিনেছেন গেইল। ইউরোপিয়ান টি-টোয়েন্টি প্রিমিয়ার লিগের (ইটিপিএল) দল গ্লাসগো মুগাফিয়ান্সের মালিকানা কিনেছেন তিনি। ওয়েস্ট ইন্ডিজ কিংবদন্তির পার্টনার হিসেবে পাশে পাচ্ছেন ভারতের মুগাফি গ্রুপকে। ভারতের বিনোদনভিত্তিক প্রতিষ্ঠানের নামে তাই দলটির নামকরণ করা হয়েছে।
গ্লাসগোর সহ-স্বত্বাধিকারী হতে পেরে ভীষণ রোমাঞ্চিত গেইল। ৪৬ বছর বয়সী সাবেক ওপেনার বলেছেন, ‘গ্লাসগো মুগাফিয়ান্সের সহ-স্বত্বাধিকার হওয়া আমার জন্য এক নতুন অধ্যায়। নতুন অধ্যায় শুরু করতে আমার তর সইছে না।’
শুরুতে গ্লাসগোর মালিকানা কেনার কথা ছিল রাহুল দ্রাবিড় ও রবীচন্দ্রন অশ্বিনের নেতৃত্বাধীন এক বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের। তবে বিবিসি জানিয়েছে, তারা এখন ডাবলিন ভিত্তিক দল কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। দ্রাবিড়-অশ্বিনের নেতৃত্বাধীন প্রতিষ্ঠান সরে যাওয়ার সুযোগ নিয়েছেন গেইল। মুগাফি গ্রুপের সঙ্গে গ্লাসগোর মালিকানা কিনেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে সবমিলিয়ে ৪৮৩ ম্যাচ খেলা সাবেক বিধ্বংসী ওপেনার।
আয়ারল্যান্ড, স্কটল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডস ক্রিকেট বোর্ডের যৌথ উদ্যোগে প্রথমবারের মতো হতে যাচ্ছে ইটিপিএল। তিন দেশের ছয় শহরকে কেন্দ্র করে ৬ দলের টুর্নামেন্ট হবে। আগামী ২৬ আগস্ট থেকে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগটি হওয়ার কথা রয়েছে।

দক্ষিণ লেবাননের বাসিন্দাদের জন্য নতুন করে হুমকি জারি করেছে ইসরায়েল। নির্দিষ্ট কিছু গ্রামের দক্ষিণে কিংবা সেগুলোর আশপাশে চলাচল না করার জন্য বাসিন্দাদের সতর্ক করেছে। নির্দেশ অমান্য করলে নিরাপত্তা ঝুঁকি রয়েছে বলেও জানিয়েছে। খবর আলজাজিরার।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক পোস্টে একটি মানচিত্র দেখিয়ে বলেন, চিহ্নিত গ্রামের দক্ষিণাংশে যাওয়া বা সেসব এলাকায় ফিরে যাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
এছাড়া লিতানি নদী, ওয়াদি সালহানিয়া এবং সালুকি নদী সংলগ্ন এলাকাতেও প্রবেশ নিষিদ্ধ বলে সতর্ক করা হয়েছে।
সেনাবাহিনী আরও কয়েকটি গ্রামের নাম উল্লেখ করে জানায়, ওইসব এলাকার বাসিন্দারা যেন নির্ধারিত সীমারেখা অতিক্রম না করেন এবং সেখানে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা না করেন।
এই নির্দেশ অমান্য করলে নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।
এদিকে যুদ্ধবিরতি চালু থাকলেও গত কয়েক দিনে আরো অনেক গ্রাম ও শহর ধ্বংস করা হয়েছে। অনেক জায়গা একেবারে মাটির সঙ্গে মিশে গেছে বলে জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা।
দক্ষিণের বড় শহর বিনতে জেবাইলও ব্যাপকভাবে ধ্বংস হয়েছে। প্রায় ৩০ হাজার মানুষের এই শহরে এখন কিছুই আর আগের মতো নেই।
এমন অবস্থায় ‘লেবানন এমন একটি যুদ্ধে জড়িয়েছে, যা তারা নিজেরা শুরু করেনি’—বলেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইউসুফ রাজ্জি।
তিনি বলেন, সরকার এখন চাইছে যুদ্ধ ও শান্তি নিয়ে সব সিদ্ধান্ত আবার নিজেদের হাতে নিতে। পাশাপাশি পুরো দেশে সরকারের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি প্রতিষ্ঠা করাও তাদের লক্ষ্য।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি জানান, অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে তার কথা হয়েছে। সেখানে অস্ট্রেলিয়া লেবানন সরকারের এই অবস্থানকে সমর্থন জানিয়েছে।
অস্ট্রেলিয়া বলেছে, তারা চায় লেবাননের সব জায়গায় সরকারের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকুক এবং প্রয়োজনে তারা মানবিক সাহায্য দিতেও প্রস্তুত।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, চলমান আলোচনা সফল হবে।
এতে দখল করা এলাকা ফেরত পাওয়া যাবে এবং ইসরায়েল দ্রুত সরে যাবে।