জানুয়ারিতে অডিও, এবার ইউএনও শামীমার থাপ্পড়ের ভিডিও ভাইরাল

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীমা আক্তার জাহানের বিরুদ্ধে এক যুবককে চড় মারার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিযোগ যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে এক যুবককে সবার সামনে থাপ্পর মারতে দেখে গেলেও গণমাধ্যমের কাছে বিষয়টি অস্বীকার করেছেন ইউএনও। তার দাবি, এ সময় চড়-থাপ্পরের কোনো ঘটনা ঘটেনি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চাপারহাট কলেজের সহকারী অধ্যাপক গোলক চন্দ্র অসুস্থ থাকায় তার গ্যারেজ কর্মচারীকে (১৮) ফুয়েল কার্ডসহ তেল নেওয়ার জন্য লাইনে পাঠান। তিনি যখন লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন, তখন সেখানে তদারকিতে থাকা ইউএনও শামীমা আক্তার জাহান তার হাতের কার্ডটি পরীক্ষা করেন। কার্ডের ছবির সঙ্গে তার চেহারার মিল না থাকায় কোনো কিছু জিজ্ঞাসা না করেই ইউএনও তাকে চড় মারেন।

বুধবার বিকেলে উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের চাপারহাট বাজারের ‘লুবানা ফিলিং স্টেশনে’ এ ঘটনা ঘটে। এ সময় সেখানে উত্তেজনাকর পরিস্থিতর সৃষ্টি হয়। পরে ইউএনও অসুস্থ কলেজ শিক্ষকের মোটরসাইকেল ও ফুয়েল কার্ডের সত্যতা যাচাই-বাছাই করে ওই যুবককে ছেড়ে দেন।

গ্যারেজ কর্মচারী বলেন, “আমি গ্যারেজ মেকানিক। মালিকের কথায় অসুস্থ এক শিক্ষকের কার্ড ও টাকা নিয়ে তেল নিতে লাইনে দাঁড়িয়েছিলাম। ইউএনও কার্ড চেক করার সময় কোনো কথা না বলেই আমাকে কয়েকটি থাপ্পড় মারেন। আমি কোনো অন্যায় করিনি, বিনা অপরাধে আমাকে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। আমি এর বিচার চাই।”

কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীমা আক্তার জাহান চপেটাঘাতের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, “আমি শুধু তার গাড়ির চাবি নিয়েছিলাম, গায়ে হাত তুলিনি। সম্ভবত তার কাছে সঠিক কার্ড ছিল না। নিয়ম না মেনে লাইনে দাঁড়ানোর কারণে চাবি নিয়ে পরে অফিসে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছিল। পরবর্তীতে তার অভিভাবকরা এলে চাবি বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।”

ইউএনও শামীমাকে নিয়ে এর আগেও একবার আলোচনা-সমালোচনা হয়েছিল। গত জানুয়ারিতে ইউএনওকে ‘আপু’ সম্বোধন করায় এক অনুষ্ঠান আয়োজকের সঙ্গে ক্ষুব্ধ আচরণের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় একটি অডিও ক্লিপ ভাইরাল হয় সেসময়।

হাম রোগীর জন্য হাসপাতালে শয্যা বাড়ানোর নির্দেশ

সরকারি হাসপাতালগুলোতে হামের জন্য শয্যা বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সরকারি নির্দশনায় বলা হয়েছে, শয্যাসংকটের কারণ দেখিয়ে হামের রোগীকে অন্যত্র পাঠানো যাবে না।

আজ বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনার তথ্য জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। যদিও গত ২১ এপ্রিল এ নির্দেশনা জারি করা হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে,  হাসপাতালে আসা হাম বা হাম উপসর্গের রোগীদের ক্ষেত্রে শয্যা খালি না থাকলেও ফিরিয়ে দেওয়া যাবে না। প্রয়োজনে অতিরিক্ত শয্যার ব্যবস্থা করতে হবে। তবে জটিল অবস্থা হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রোগীকে রেফার করা যাবে।

রেফার করার ক্ষেত্রে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, জেলা হাসপাতাল, মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও বিশেষায়িত হাসপাতালের নির্ধারিত রেফারাল চেইন অনুসরণ করতে হবে। এ নিয়ম না মানলে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের প্রধানকে দায় বহন করতে হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত নির্দেশনায় সব সরকারি হাসপাতালকে দ্রুত এ নির্দেশনা কার্যকর করতে বলা হয়েছে।

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com